Wednesday, March 20, 2013

আজান-ইকামাতের জবাবের ফজিলত


পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য আজান দেয়া হয় আর জামাতে নামাজ আদায়ের আগে দেয়া হয় ইকামাত। আজান এবং ইকামাত শুনলে ধর্মের নিয়মানুযায়ী জবাব দিতে হয় আর এ জবাবের জন্য রয়েছে পুণ্য। আমরা আজানের জবাব দিলেও ইকামাতের জবাব হয়তো অনেকেই দেই না। কেউ কেউ শুধুমাত্র আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ -এর জবাব দিয়ে থাকেন। যারা ইকামাতের জবাব দিতে হবে জানেন এবং জবাব দিতে সচেষ্ট, তারা কিন্তু পুরো জবাব দিতে সক্ষম হন না অনেক ইমাম সাহেব আর খতিব সাহেবদের অসচেতনার কারণে। কারণ মুয়াজ্জিন সাহেব ইকামাতের শেষ শব্দ 'লা ইলাহা ইলস্নালস্নাহ' বলার আগেই অধিকাংশ ইমাম সাহেব আর খতিব সাহেব তাকবীরে তাহরীমা 'আল্লাহু আকবার' বলে থাকেন। এক্ষেত্রে নিজে তো ইকামাতের জবাব দেয়ার প্রয়োজন মনে করেন না, মুসুলিস্নরাও জবাব দেয়ার সুযোগ পান না। মুয়াজ্জিনের ইকামাতের শেষ শব্দ 'লাইলাহা ইলস্নালস্নাহ' শেষ না করতেই

Tuesday, March 19, 2013

নাস্তিক

নাস্তিকতা কিঃ নাস্তিকতা এক ধরনের অহংকারী মানসিকতা। যেখানে কেও নিজেকে/মানুষকে শ্রেষ্ঠ মনে করে এবং নিজের চেয়ে শ্রেষ্ঠতর কোন স্রষ্টার অস্তিত্ব মেনে নিতে পারে না। فِي قُلُوبِهِم مَّرَضٌ فَزَادَهُمُ اللَّهُ مَرَضًا ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ بِمَا كَانُوا يَكْذِبُونَ [٢:١٠] তাদের অন্তঃকরণ ব্যধিগ্রস্ত আর আল্লাহ তাদের ব্যধি আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন। বস্তুতঃ তাদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে ভয়াবহ আযাব, তাদের মিথ্যাচারের দরুন।
নাস্তিকতা কেন হয়ঃ এমন মানসিকতা তৈরি হয় যে “আমি একাই যথেষ্ট, আলাদা কোন স্রষ্টার সাহায্য ছারাই আমার চলে”। আস্তিকদের তখন অন্যের দাস এবং নিজেকে ইচ্ছাস্বাধীন বলে মনে হয়।
নাস্তিকতা কিভাবে হয়ঃ إِلَّا إِبْلِيسَ اسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ الْكَافِرِينَ কিন্তু ইবলীস; সে অহংকার করল এবং অস্বীকারকারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল। (Saad: 74)
১। অন্যের দ্বারাঃ বিভিন্ন নাস্তিক মানুষের কথায় প্রভাবিত হয়ে বা নাস্তিক লেখকের বই পড়ে। এরা না বুঝেই নাস্তিক।
২। অপর্যাপ্ত জ্ঞ্যানের কারনেঃ এরা বিজ্ঞানের কিছু তথ্য জানার পর তার আলোকে দুনিয়া বিশ্লেষন করার চেষ্টা করে। কিছুজিনিষ মিলে গেলে ভাবে সবকিছুই এভাবে মেলানো যাবে। তাদের কাছে তখন সৃষ্টিকর্তা অপ্রয়োজনিয় মনে হয়। নিজেকে তখন তারা সর্বশ্রেষ্ঠ মনে করে আর তাদের মনে শ্রেষ্ঠত্বের অহংকার তৈরি হয়। এই অহংকারের কারনে পরবর্তিতে সত্যজ্ঞান লাভ করলেও আর নিজের চেয়ে শ্রেষ্ঠতর কোন স্রষ্টার অস্তিত্ব মেনে নিতে পারে না।
৩। হতাশার থেকেঃজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের দুঃখ, অপ্রাপ্তি ও ব্যার্থতার কারনে মানুষ অনেক সময়ই স্রষ্টার রহমতের উপর নিরাশ হয়ে যায়। ভাবে যে তারা নিজের যোগ্যতাতেই টিকে আছে। এবং তারা হতাশার কারনে স্রষ্টাকেই অস্বিকার করে। নিজেকে তখন তারা শ্রেষ্ঠ মনে করে আর শ্রেষ্ঠত্বের অহংকারের কারনে পরবর্তিতে শ্রেষ্ঠতর কোন স্রষ্টার অস্তিত্ব মেনে নিতে পারে না।
(Az-Zumar: 53) বলুন, হে আমার বান্দাগণ যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
(Al-Hijr: 56) তিনি বললেনঃ পালনকর্তার রহমত থেকে পথভ্রষ্টরা ছাড়া কে নিরাশ হয় ?
(Al-Ankaboot: 23) যারা আল্লাহর আয়াত সমূহ ও তাঁর সাক্ষাত অস্বীকার করে, তারাই আমার রহমত থেকে নিরাশ হবে এবং তাদের জন্যেই যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে।
৩। অতিরিক্ত বিশ্বাস যুক্ত আস্তিকতাঃ وَمَا يُؤْمِنُ أَكْثَرُهُم بِاللَّهِ إِلَّا وَهُم مُّشْرِكُونَ অনেক মানুষ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, কিন্তু সাথে সাথে শিরকও করে (Yusuf: 106)। এরা এক স্রষ্টা ছারাও আরও অনেক কিছুকেই অদ্রিষ্টের উপর দায়িত্বশিল বলে বিশ্বাস করে। যেমন অনেকেই বসের উপর অতিরিক্ত বিশ্বাস রাখে, ভাবে “বস খুশি হলেই আমার প্রমোশন হবে, কাজ/নৈতিকতা কোন ব্যপার না”। এরকম স্রষ্টা ছারা অন্য কিছুকে নিয়তি পরিবর্তন করতে পারে বিশ্বাস করাকেই শিরক বলা হয়।

নেপালের মিনার মিরাকল


একটি ইউটিউব ভিডিও নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে। ভিডিওটি নেপালের একটি মসজিদের মিনারকে কেন্দ্র করে। তাতে দেখা যায় যে, মসজিদের মিনারটি এমনিতেই বাতাসে ভেসে আকাশে উঠে জায়গা মতো বসে যাচ্ছে। আর তা লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহ জিকিরের সাথে দেখছে শত শত মুসলিম।

ভিডিওটা যা-ই হোক না কেন, তার চেয়েও আকর্ষণীয় হলো এর সাথে সংশ্লিষ্ট বক্তব্য। বলা হচ্ছে, মসজিদটির মিনার নির্মাণের পর তা উঠাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ব্যাহত হলে প্রশাসনের সাহায্য চাওয়া হয়। প্রশাসন সাফ বলে দেয়, আমরা পারব না, তোমাদের আল্লাহকে বলো। এরপর এক টুকরো মেঘ ঘিরে নেয় মিনারটিকে, আর মিনারটি আপনা আপনি উঠে যায় আকাশে, বসে যায় জায়গা মতো।

আরো একটি ঘটনা পেলাম। তা হলো, মসজিদের ইমাম সাহেব স্বপ্নে দেখেন, তাকে বলা হচ্ছে যেন তিনি একটি সাদা কাপড় দিয়ে মিনারটি ঢেকে দেন। তিনি তা করেন। পরে মিনারটি আপনা আপনি উঠে যায় আকাশে। যা শত শত মানুষ খালি চোখে প্রত্যক্ষ করে।

ইসলামের কিছু আলৌকিকত্ব

ইসলামের কিছু আলৌকিকত্

রাশিয়ার শিশুর শরীরে কোরআনের আয়াত!

শিশুর শরীরে কোরআনের আয়াত
রাশিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত দাগেস্তান প্রদেশে এক বিস্ময়কর শিশুর সন্ধান পাওয়া গেছে। শিশুটির হাত ও পায়ের চামড়ায় কোরআনের আয়াত ভেসে ওঠে কিছুদিন পর

হেরা পর্বত

রাসুল (সাঃ) এই হেরা পর্বত এ ধ্যান করতেন। মহা-পবিত্র গ্রন্থ আল কোরআন নাজিল হওয়ার আগে রাসুল (সাঃ) টানা ৪০ দিন এই ৩০০০ ফুট উচু পর্বতে ধ্যান করেছিলেন। চুড়ায় উঠে আরো ৪০ ফুট নিচে নামলে একটি গুহা আছে, সেখানে বসে তিনি ভাবতেন। মক্কায় প্রায় ৬,৫০০ পর্বত রয়েছে; কিন্তু, রাসুল (সাঃ) হেরা কে বেছে নেন কারন -- এই গুহা হতে তাকালে সরাসরি ৪ কিলোমিটার দূরে পবিত্র বায়তুল্লাহ দেখা যায়।

কুরবানির ইতিহাস

পৃথিবীর ইতিহাসে কুরবানি কবে থেকে চালু হয়েছে জানতে গেলে আল্লহ বলেন, আমি প্রত্যেক জাতির জন্য কুরবানির বিধান দিয়েছি যাতে তারা পালিত চতুস্পদ জন্তুর উপর আলস্নাহর নাম উচ্চারণ করে যা তিনি তাদেরকে খোরাকী স্বরূপ দান করেছেন (সূরা হজ্জ ৩৪ আয়াত)

উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় আল্লামা নাসাফী ও যামাখশারী বলেন, (হযরত আদম (আ) থেকে হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (স) পর্যন্ত) প্রত্যেক জাতিকে আলস্নাহ তাআলা তাঁর নৈকট্য লাভের জন্য কুরবানির বিধান দিয়েছেন। (তফসীরে নাসাফী ৩য় খন্ড ৭৯ পৃষ্ঠা ও কাশশাফ ২য় খন্ড ৩৩ পৃষ্ঠা)